পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের বিকল্প অর্থনীতিঃ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

ছবি
প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার ভূখণ্ড প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। যা আকৃষ্ট করেছে ইউরোপীয় নাবিক, আরবের বণিক সহ নানা বিদেশী পর্যটক ও শাসকদের। বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলা ভ্রমণে এসে বাংলার নামকরণ করেছিলেন ‘দোজখ-ই-পুর-নিয়ামত’, অর্থাৎ ধনসম্পদপূর্ণ দোজখ। বাংলার ধনসম্পদের প্রাচুর্য বরাবরই যেমন বিদেশী শাসকদের আকৃষ্ট করেছে, তেমনি দীর্ঘদিন বিদেশী শাসকদের দ্বারা শোষিতও হয়েছে। ইংরেজদের প্রায় দুশো বছরের ঔপনিবেশিক শাসন আর পাকিস্তানিদের ২৪ বছরের অর্থনৈতিক, ও রাজনৈতিক শোষণে স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিলো ভঙ্গুর অর্থনীতি দিয়েই। সদ্যস্বাধীন ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনৈতিক সংকট থাকাটাও স্বাভাবিক। কিন্তু ৫৩ বছর পরে এসেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা এবং নির্দিষ্ট কিছু শিল্পের ওপর পূর্ণ নির্ভরশীলতা বাংলাদেশকে যেমন দূর্বল অর্থনীতির দেশে পরিণত করেছে, তেমনি ফেলে দিয়েছে উভয়-সংকটে। প্রথমত, বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের এখনও সম্পূর্ন আধুনিকায়ন বা স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়নি। অধিকাংশ শ্রমিকেরাই হাতে বোনা পোষাক তৈরি করেন, যার ফলে বিশ্ব বাজারের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। পোশাক শিল্পের স্বয়ংক্রিয়করণ (অটোমেশন) হ...